Daylong Dialogue held at Cox’s Bazar in observation of Co-management Day 2016; Government to Conserve Forest

Via Obaidul Fattah Tanvir, Communications Manager, CREL

Government to Conserve Forest with Peoples’ Participation: CCF


Co Management Day CREL - Taihidur Rahaman Rubel via YouTube

USAID’s Climate-Resilient Ecosystems and Livelihoods (CREL) Project organized a Dialogue on ‘Sustainable Financing of Co-management in Bangladesh’ yesterday at a city hotel in Cox’s Bazar hosted by Winrock International, NACOM, CODEC, CNRS and BCAS supported by USAID Bangladesh and Bangladesh Forest Department in observation of the Co-Management Day 2016.

Related: Environment Friendly Cost Effective Bio-socket for Electricity

Honorable Secretary for the Ministry of Environment and Forests, Dr. Kamal Uddin Ahmed inaugurated the event as the Chief Guest while Chief Conservator of Forests Md. Yunus Ali chaired the occasion. Among others, representatives of administration, forest department, development partners, non-government organizations, co-management organizations and private sector participated in this dialogue.

Shared governance enabled by co-management is a proven model to improve governance of natural resources and biodiversity and therefore increases flexibility to climate change through an improved planning and livelihood diversification. This was noted by speakers and participants at dialogue which is held every year since 2008 honoring a local hero, a community forest patroller Rafiqul Alam for his extraordinary sacrifice on this day at the hands of illegal loggers.

Dr. Kamal Uddin Ahmed in his inauguration speech noted that co-management is a praiseworthy initiative and this made people more responsive for forest conservation. Co-management approach in Bangladesh has received appreciation from our neighboring countries as well.

Chair of the dialogue Mr. Md. Yunus Ali explained the context and significance of co-management day and paid tributes for the heroic sacrifice made to safeguard the natural resource and environment. Co-management organizations now stand at a total of 27 joint collaborative councils and are spread across the country with involvement of approximately 1.5 lakh households. He said’ “We have launched people oriented eco-friendly programs like social forestation to ensure sustainability of development work. We want to conserve our forest resource and alleviate poverty with people’s proactive participation in it. Future generations will grow crippled if we miss the mark of a healthy eco-system in country, he added.

Farhad Ghaussy, Director of Economic Growth Office at USAID Bangladesh made the closing remarks and some truly inspiring experiences were shared by the community conservation leaders present at the auspicious congregation.

Co-management is the partnership between Government and Community in conservation of forests and protected areas of Bangladesh. This dialogue calls for action of the government, development partners, private sectors and stakeholders of different levels to ensure sustainable financing for the co-management organizations in Bangladesh.

The event had four segments facilitated by Dr. Azharul Majumder, USAID, Dr. John A. Dorr, Chief of Party, CREL, Kevin Kamp, Deputy Chief of Party, CREL, Ishtaq Uddin Ahmad, Country Representative, IUCN Bangladesh, Dr. Rob Mollah, Chairman, NACOM, Munir Helal, Director, CODEC and Dr. Mokhlesur Rahman, ED, CNRS.

Abu Taher, community patroll team member of Sadhonpur received 1.5 lakh taka cheque from secretary of MOEF for his bravary role in forest conservation. There was a colorful exposition and similar installations looking at co-management processes, products and impacts to foster a variety of partnership opportunities between community conservationists and other groups.

The news post is repeated below in Unicode Bangla font.

‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বন সংরক্ষণ করতে চাই’

২৩ মার্চ সহ-ব্যবস্থাপনা দিবস ২০১৬ উপলক্ষ্যে কক্সবাজারে দিনব্যাপী সংলাপে প্রধান বন সংরক্ষক

ইউএসএইড-এর ক্লাইমেট-রজিলিয়েন্ট ইকোসিস্টেমস অ্যান্ড লাইভলিহুডস (ক্রেল) প্রকল্পের আওতায় উইনরক ইন্টারন্যাশনাল, নেকম, কোডেক, সিএনআরএস এবং বিসিএএস-এর উদ্যোগে ইউএসএইড বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ সরকারের বন অধিদফতরের সহায়তায় বাংলাদেশে সহ-ব্যবস্থাপনা দিবস ২০১৬ উপলক্ষ্যে গতকাল কক্সবাজারের একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশে সহ-ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে টেকসই অর্থায়ন’ শীর্ষক দিনব্যাপী সংলাপ আয়োজন করা হয়।

দিনব্যাপী এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব জনাব ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ এবং সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রধান বন সংরক্ষক জনাব মোঃ ইউনুছ আলী। এছাড়া প্রশাসন, বন বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি সংস্থাসমূহ, সহ-ব্যবস্থাপনা সংগঠনসহ বেসরকারি খাত ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

২৩ মার্চকে আবারো আনুষ্ঠানিকভাবে সহ-ব্যবস্থাপনা দিবস ঘোষনা পূর্বক এর গুরুত্ব উল্লেখ করে জনাব ইউনুছ আলী বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সহ-ব্যবস্থাপনা বিগত সময়ে একটি প্রমাণিত সফল ধারণা। বর্তমানে দেশে বন সুরক্ষায় এ ধরনের ২৭ টি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং দেড় লাখের ওপর পরিবার সক্রিয় রয়েছে। জনাব ইউনুছ আলী জাতীয় সম্পদ ও পরিবেশ সুরক্ষায় জনগণের স্বতঃস্ফ‚র্ত অংশগ্রহণ এবং বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বন সংরক্ষণ করতে চাই।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ২৩ মার্চ বনদস্যুদের বাধা দিতে গিয়ে বীরের ন্যায় জীবন উৎসর্গ করেন শীলখালী বন টহলদল কর্মী রফিকুল আলম। জাতীয় সম্পদ রক্ষায় তার বীরত্বপূর্ণ এই আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতি বছর এই দিনটি সহ-ব্যবস্থাপনা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ তার উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, সহ-ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ যার ফলে বনাঞ্চল ধ্বংস না করে বরং তা রক্ষায় মানুষ অনেক বেশী সচেতন হয়েছে। এমনকি সহ-ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পার্শ্ববর্তী দেশসমূহেও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

দিনব্যাপী এ আয়োজনের অংশ হিসেবে চারটি সমান্তরাল সেশনে আলোচকরা সহ-ব্যবস্থাপনা সংগঠনগুলোর অর্থনৈতিক স্থায়ীত্বশীলতা নিশ্চিতকরণে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী এবং সহ-ব্যবস্থাপনা সংগঠনের এর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।

চার পর্বে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে সঞ্চালকের ভূমিকায় ছিলেন ইউএইসএইডের ড. আজহারুল মজুমদার, ক্রেলের চীফ অব পার্টি ড. জন এ ডর, ডেপুটি চীফ অব পার্টি কেভিন ক্যাম্প, আইইউসিএন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ইশতিয়াক উদ্দিন আহমাদ, নেকম এর সভাপতি আব্দুর রব মোল্লা, কোডেকের পরিচালক মুনির হেলাল এবং সিএনআরএসের নির্বাহী পরিচালক ড. মোখলেসুর রহমান।

অনুষ্ঠানে সাধনপুর এলাকার কম্যুনিটি টহলদল কর্মী আবু তাহেরকে তার সাহসী ভূমিকার জন্য দেড় লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন সচিব ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। এছাড়া সহ-ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের প্রকাশনার পাশাপাশি নানাবিধ হস্ত ও কুটিরশিল্পজাত সামগ্রীর প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

- ওবায়দুল ফাত্তাহ তানভির, কম্যুনিকেশন্স ম্যানেজার, ক্রেল
আরো তথ্যের জন্য: ওবায়দুল ফাত্তাহ তানভির, ০১৮৪৭ ০৫২১১১ অথবা টিংকু, ০১৭১১ ৪৭২৩৬৭