বাংলা কবিতা -Bengaly Poetry by Rajkumar Paul

রাজকুমার পালের কবিতা মহাপুরুষ ,বঙ্গের জীব ,বরসারানী  এবং শুন্যতা ভরিবে কে ?


YZkQfQ

          মহাপুরুষ

দুহাতে করেছ দান               না হয় দিয়াছো প্রাণ

           ধন্য হে মোর মহাপুরুষ ׀

এ মহান সূত্রধারী               কত কর্ম সিদ্ধ পরি

           প্রজ্বলিত তোমার পৌরুষ ׀׀

বীর-বিদ্বান-পণ্ডিত              তুমিই যে অরিজিৎ

           কায়তে ধরেছো মহাশক্তি ׀

ঈশ্বরের দূত তুমি               ভূমিকায় অগ্রগামী

           দাও যথার্থ প্রাণের মুক্তি ׀׀

ভীত তোমা আশির্বাদে            এ ধরার পাপ কাঁদে

           কলুষহীন কর ধরণী ׀

মহান কল্যান কর্মে              নিজ মতি নিজ ধর্মে

           করিলে জয় এই অবনী ׀׀

শত বাধা পিছু ফেলে            সম্মুখে ধরেছ মেলে

           তোমারই এ মহাপ্রতিভা ׀

তোমার আদর্শ বাণী             ধন্য তব এ অবনী

           নব সৃষ্টিতে রঙিন আভা ׀׀

কত স্বপ্ন তোমা ঘিরে           নয়ন যুগল তীরে

           তোমার বদনে তা প্রকাশ ׀

আসে নব যুগ তাই             তোমারই চেতনায়

           জাগায় হৃদয়ে মোর আশ ׀׀

নিজ অর্থ ত্যাগ করে            এসেছো পরের তরে

           মহামতি স্বার্থহীন মন ׀

দুর্ভাগা দেশের মাঝে             তোমারই পরশ রাজে

           হরষে বিহ্বল জনগণ ׀׀

তোমারই জন্মক্ষণে              জাগে কোটি নরগনে

           ওঠে জ্যোৎস্না আপ্লুত শশী ׀

পরাধীনতার পরে               যেন নবারুণ ধরে

           স্বাধীন হয় দেশ-নিবাসী ׀׀

প্রতিযুগে প্রতিক্ষণে              জন্মে কোটি নরগনে

           সর্বমাঝে তুমি আদর্শ নর ׀

যায় যাক দেহ তব             আত্মা তোমা চির নব

           তোমার পৌরুষ চিরামর ׀׀

ইতিহাসের পাতায়              স্বর্ণাক্ষরে লেখা তায়

           ধন্য হে তোমার নাম-ধাম ׀

মনুষ্য জাতির মাঝে             হাজার বছরে রাজে

           রয় চির তোমার সন্মান ׀׀

রামকৃষ্ণ নরেন্দ্র               অধম দেশের ইন্দ্র

           গর্ব করি তাই প্রতিক্ষণে ׀

রাসবিহারী নেতাজী            অগাস্টিনো গান্ধীজী

           চলে যান থাকেন স্মরণে ׀׀

ক্ষুদিরাম লক্ষ্মীবাঈ             আজ তবু কাছে নাই

           মহান কর্মের তরে প্রণম্য ׀

মাতঙ্গিনী প্রীতিলতা            বীরঙ্গনা প্রানদাতা

           তোমাদের  পাদ-স্পর্শে ধন্য ׀׀

নিবেদিতার সেবায়             হরিশ্চন্দ্রের দয়ায়

           ধন্য হয়েছে বহুল লোকে ׀

পান দেবতার মান             জন্ম তব ভাগ্যবান

           রহেন অমর হয়ে চোখে ׀׀

কবি রবি-নজরুল             শত্রুরে মেরেছে শূল

           কাব্য-উপন্যাস লিখে রেখে ׀

নেলসন মাষ্টারদা              পরাধীন দেশদাদা

           শত্রুরা পালায় তোমা দেখে ׀׀

অরবিন্দ দয়ানন্দ              লক্সিম ঈশ্বরচন্দ্র

           দেখা দাও সামাজিক রণে ׀

মুজিবর আনশান              ধন্য তোমাদের দান

           রহ স্মরনীয় হয়ে মনে ׀׀

বিবাদী রামমোহন             তোমরা মোর নয়ন

           দেশহিতে দাও প্রাণ দান ׀

ধন্য চাঁদ সদাগর             তুমিই তুল্য সাগর

           রাখিয়াছো আমাদের মান ׀׀

অশোক ধর্মের তরে            বিখ্যাত জগত পরে

           মোর নয়নের ধ্রুবতারা ׀

মহারাজা আকবর              জগৎবাসীর বর

           শোকার্ত সব তোমায় হারা ׀׀

লেলিন মাওসে বুদ্ধ             অবিচার কর রুদ্ধ

           আবার এস এ ধরণীতে ׀

সতী সাবিত্রী বেহুলা            নয় তোমরা অবোলা

           অবতার বৈকি অবনীতে ׀׀

কেউ আছো কেউ নাই          তাই মন ব্যথা পায়

           শুধু থাকো মনের মন্দিরে ׀

কর মোরে আশীর্বাদ            নাও প্রণাম হে নাথ

           থাকি যেন তোমার অদূরে ׀׀




বঙ্গের জীব

ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া ছত্রাক শৈবাল

বঙ্গবুকে গুপ্ত-ব্যাক্তবীজী মিলে পেতেছে জাল।

স্তন্যপায়ী পক্ষী পতঙ্গ উভয়চর

সরীসৃপ মৎস্য অঙ্গুরিমাল রচে প্রাণের চর।

বনের মাঝে শাবক লয়ে ঘুরে বুনোহাতি,

শ্যামল ঘাসে গালিচা মাঝে অশ্বের মাতামাতি।

শত ধেনু চরিছে প্রান্তরের ঘাসে,

প্রহরা দেয় কুকুর বন্ধু বাড়ির চারিপাশে।

বিড়াল মশাই ধরিছে ইঁদুর তক্তপোষের নীচ্‌

নদীচরে কুমির রোদে দেহ আবরিছে।

গণ্ডার জলহস্তী ডুব দেয় ডোবার কাদাজলে,

হরিণের দল রয়ে বসে বানীগাছ তলে।

বুনশুয়োর জ্বরে তোলে ঘোঁৎঘোঁৎ ধ্বনি,

রাতের বেলায় বনের মাঝে শিয়ালের রব শুনি।

মধ্যরাতে গভীর বনে শুনি হায়নার কান্নাসুর,

ডালে ডালে লাফায় বাঁদর হনুমান বাদুড়।

চিতাবাঘ শিকার ধরে হেঁতাল ঝোপের ধারে,

গীর বনে সিংহরাজ রাগে কেশর নাড়ে।

সুন্দরবনে বাঘের দল হরিন ধরে খায়,

কাঠবেড়ালী নিম গাছে কুটুস কুটুস চায়।

হাঙ্গর তিমি অক্টোপাস জেলেফিস সাগর জলে চড়ে,

গিনিপিগ খরগোশ উঠানে পোকামাকড় ধরে।

চলেছে এগিয়ে একে একে ভেড়া ছাগলের পাল,

গলা উঁচিয়ে জিরাফগুলি চিবোয় গাছের ডাল।

মানুষ লাঙ্গুর ভল্লুক ভাম কটাশ

বুনোমানুষ বেঁজি আর কত প্রাণীর বাস।

 

ভোরের রশ্মি লয়ে গৃহস্থলে ডাকে কাক,

গাঙ শালিকের ঝাঁক করে হাঁকডাক।

জ্যোৎস্না রাতে পেঁচা ডাকে লক্ষ্মীর গল্প নিয়ে

চড়ুই ওড়ে ফুড়ুৎ ফুড়ুৎ ছোট্ট ডানা দিয়ে।

আম্রশাখে ডাকিছে বসে বউ-কথা-কউ পাখি,

দীঘির ঝোপে ডাকে সঘনে ডাহুক ডাহুকী।

ধনেশ পাখি ধরে ফড়িং সবুজ ধানের ক্ষেতে,

ঈগল শকুন বসে গাছে শিকারে ওঁত পেতে।

ভুট্টা ক্ষেতে শস্য খেতে আসে টিয়া দলে,

পানকৌড়ি জলপিনি খেলে পুকুর জলে।

হিজল গাছে ডাকে ঘুঘু জারুল গাছে চিল,

সুর-মূরছনায় মাতাল করতে গান ধরে কোকিল।

গাংচিল বসে আছে শিরিষের ডালে,

মাছরাঙা চুপিচুপি মাছ ধরে খালে।

ধবক বক উড়ে চলে আকাশের গায়,

আঙিনায় শালিক ছাতারে খুঁটেখুঁটে খায়।

নিমপাখি উড়ে চলে নীল তেঁতুল বনে,

তরু শাখে শিস টানে দোয়েল আপনমনে।

বাবুই পাখি খেলা করে কচি সবুজ ঘাসে,

পায়রার ঝাঁক উড়ে যায় নীল আকাশে।

লাল মনিয়া নাড়ায় লেজ সারাক্ষণ,

ফিঙে শ্যামার নরম গানে ভরে ওঠে মন।

গরমে তৃষ্ণায় চাতক পাখি করে আর্তনাদ,

নীলকণ্ঠ বাঁশপাতি গাছে পোহায় রাত।

বুলবুল তিতির হরবোলা টুনটুনির সঙ্গীত মধুর,

সোনাজঙ্ঘা ধানখুঁটি শামুকখোড় ধরে আপন সুর।

কাঠঠোকরা কাঠ ঠোকরায় গগনবেড় হারবিলে খালে

চুপিসারে ধরে মাছ প্রাণের হিল্লোল তালে।

ময়ূর বৃক্ষে খায় বসে মস্ত এক সাপ,

মুরগী স্থলে মাছ জলে দেয় লাফঝাঁপ।

 

বেনাতলে শামুক কেউটে পদ্মতলে পদ্মকেউটের বাস,

কামড় দিলে অঙ্গ জ্বলে চারিদিকে পরে ত্রাস।

গোখুরে চন্দ্রবোড়া চামরকষার নাম

শুনলে পারে শরীর হতে ভয়ে ঝরে ঘাম।

মস্ত দেহী আজগর পাহাড়পথে বয়,

মনসার কথায় কালনাগিনী লখিন্দরে লয়।

বিষহীন লাউডগা চোখতোলা বটে

জ্ঞানহীনে সর্বস্তরে বিষধর রটে।

মেলিয়া চিতি ঢোঁড়া পুকুর বাগানে আছে,

গোসাপ শীতরোদ পোহায় ডোবার কাছে।

শঙ্খচূড়ের বিষ প্রবল শিহরিত সবাই,

কতক সাপের বিষ আছে কতকের নাই।

কালকেউটে বিষ জর্জর তক্ষক বিষহীন,

সাপের তরে গাঁয়ের লোক ভয়ে কাটায় দিন।

দেওয়ালে বায় টিকটিকি গিরগিটি গাছে,

কচ্ছপ লুকিয়ে থাকে পুকুর পাড়ের কাছে।

 

রুই কাতলা মৃগেল পোনা ভরা পুকুরময়,

ঝোলঝাল করলে ওদের লাগে মধুরময়।

প্যাকাল বান বেলে ল্যাঠা আর শোল

আছে সাথে চাঁদা ট্যাংরা পুঁটি মরলা কই বোল।

চিংড়ি কাঁকড়া ফলুই ভেটকি শিঙ্গি মাগুর

গুরজালি নেহেরে শঙ্কর ইলিশে ভরপুর।

 

সারে সারে যায় চলে পিপিলিকার দল,

মাকড়সা বোনে শিকারের জাল আলোয় ঝলমল।

ঘাস ফড়িং ঘাসের উপর ফুড়ুৎ ফুড়ুৎ ওড়ে,

গন্ধি মাজরা পামরি পঙ্গে গাছে রোগ ধরে।

মাছি মশা রোগের রাজা শতক রোগ ছড়ায়,

উকুন কেঁট ছারপোকা রক্ত চুষে খায়।

বর্ষায় মত্ত দাদুরী ডাকে ঘনঘন,

শামুক ঝিনুক গেঁড়ি পুকুরের রতন।

কেঁচো কেন্নো জোঁক অঙ্গুরিমাল প্রানী

সবাই মিলে সাজায় বঙ্গে প্রাণের ফুলদানি।


                                            

               বর্ষারানী

বাংলার পথে-প্রান্তরে ছলে মাতাল আস্ফালন

নেত্রবহ্নি তপ্ত-নিঃশ্বাস নিঃস্ব আবরণ।

আগ্নি-খরা দহনে প্রকৃতি করুন অতল

তা দেখে বর্ষারানী ফেলে চোখের জল।

মাতালের রাগ ভাঙ্গাতে শুনি তার নিঃশ্বব্দ চরণ

বধূদের হুলুরব-শঙ্খধনি করে তারে বরণ।

রঙের অনুপম বৈচিত্র্য আর সুরের বিমূর্ত মূর্ছনায়

শান্ত হয় মাতাল সন্ন্যাসী, চুপি চুপি নেয় বিদায়।

গগণে উড্ডীন ধূসর পিঙ্গল কৃষ্ণ মেঘ

আঁকিছে বিজয় বৈজয়ন্তী ভরপুর আবেগ।

মেঘমেদুর অম্বরে ভৈরব হরষে

তৃণবুকে ঝরে পরে আঁখিজল বরষে।

দগ্ধ তৃণে জাগে নব প্রাণের হিল্লোল

নব জীবনের শিহরন আর পুলক-বিহ্বল।

নিদাঘাত প্রকৃতির ধূসরাঙ্গ হতে ঝরে রুক্ষতার শ্বাস

বনে বনে খালে বিলে প্রবল প্রাণোচছ্ব্বাস।

মেঘ রৌদ্রের লুকোচুরি খেলা আর বিদ্যুৎস্ফুরণ

মোর চোখে লাগাইছে মুগ্ধতার মায়াঞ্জন।

বাজায় ঘন ঘন হয়ে আনমনা

জলধির মৃদঙ্গ মুরজ মুরলী সুরমূর্ছনা।

তিমির মেদুর বনে ছড়ায় কেতুকি কদম্ব রাশ

স্নিগ্ধ সজল সমীরে ভাসে হাস্নুহানার মদির সুবাস।

সৌরভ ছড়ায় বনে ঐ জুঁই ফুল

বর্ষণে ঝরে পড়ে কর্ণের বকুল।

শিখার পাখায় লাগে নৃত্যের মাতন

নীপ নিকুঞ্জে পুলক কম্পন।

তমলে কুঞ্জ তিমিরে মত্ত দাদুরী

ঝিল্লী রবে ভাঙ্গাইছে ঘুম জীবকুল জাগরী।

ডাহুক ডাহুকী ডাকে ভরে সর্বতল

পক্ষীর কলগীতে মদির বিহ্বল।

দেখিয়া দীপ্ত দামিনীর চমক উদ্ভাস

গীতময় তরুলতিকা করে মহোল্লাস।

ভ্রমরা কালো মেঘ নিচে উড়ে বালাকাসারি

ক্ষুব্ধ পবনে কলায় কাঁপে বিহঙ্গাচারী।

দেখিয়া সজল বরষের স্নিগ্ধ শ্যামশ্রী

কাতর চাতকের হয় তৃষ্ণা নিবৃত্তি।

মনের বিহঙ্গ ডানা মেলে দেখি নীলপুরী

তুমি বর্ষা প্রানের দোসর অলকাপুরী।

শাঙন রজনীর মেঘ দুন্দুভি প্রলাপ

মোছে অহল্যা মাটির আভিশাপ।

যা কিছু পুরাতন তব ঘাতে হোক চূর্ণ

গড়ে তোল এ ভুবন নতুনে পূর্ণ।


শূন্যতা ভরিবে কে?

স্বাধীনতার এতক বছর পরেও

দেশমাতা অঝোরে কাঁদে

           কেউকি শুনোনি সে কান্না׀

কি করে শুনিবে বাবুর দল!

রাজনীতির চালবাজি আর মাদকালয়ে যাবার পর

           থাকে না হাতে একটুও সময়׀

বিদ্যালয়ের একটু ফাঁকে যায় সব

           পার্ক কিংবা নদীর ধারে,

নতুবা কাজের একটু ফাঁকে কাটায় দিন

তাস খেলে কিংবা টিভি দেখে

           কাজেই সময়ের অভাব׀

ভাবার এখনও সময় আছে, ভাবুন বসে নিরালয়ে

নচেৎ এ কান্না -

আপন চক্ষুর বারি হয়ে ঝরবে চিরকাল׀

কেন বোঝোনা তার সেই কান্না?

কোথায় আজ সে পুরু-প্রতাপ?

দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য ধরেছিল তরবারি;

অসীম সাহসী ক্ষুদ্র শক্তি

         কাঁপিয়ে গ্রীক-ইংরাজ;

ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিল মান প্রাণের বিনিময়ে׀

কোথায় গেল সেই ক্ষুদিরাম?

মায়ের সন্মান রাখতে যে

ফাঁসির মঞ্চে দিল প্রাণ?

মহাত্মা-সুভাষ-সূর্যসেন নেইতো এখন দেশে,

তাই শতশত দুর্বৃত্ত শয়তান ঘুরছে ছদ্মবেশে׀

নেইকো রামমোহন বিদ্যাসাগর

অনাচার কুসংস্কার ভেঙে করবে সমাজসংস্কার׀

ধর্মের উর্ধ্বে থেকে জাতীয় সংহতি রক্ষা করিতে

            অশোক আকবর গেল কোথায়?

ভারতীয় নারীর মর্যাদা বিশ্ববন্দিত করেছে যারা

             সেই বেহুলা সীতা সাবিত্রী আর নেই׀

রবি-নজরুল-দ্বিজেন্দ্র আর নেই

যাদের গানে ভরেছিল ভারতের আকাশ-বাতাস׀

গানের সুর-মূর্ছনাকে সফল করিতে

              কন্ঠ দিল কিশোর-মুকেশ-রফি;

বাস্তবকে চিত্র দর্পণ করেন শরৎ-বঙ্কিম;

সে চিত্রকে সজীব করেন উত্তম-ছবি-রাজকাপুর;

               কিন্তু হায় ভেসে গেছে আজ সে সব দিন ׀

আজ যে কেউ নেই

               তাইতো মাতা কাঁদে ׀

আসিছে সেই দিন

               শুধিতে হবে মাতৃ দুধের ঋণ;

আসুন শপথ করি এক সাথে

               উদ্ধারিবো মায়ের হৃত গৌরব ׀

নচেৎ আবার পরবে পায়ে বেড়ি

খাঁচা-বদ্ধ পাখির মত করবে ছটফট; মুক্তি পাবেনা ׀

তাই এক সাথে মোরা লড়বো;

নাহলে বাঁচাতে এ দেশ

                শূন্যতা ভরিবে কে?



Rajkumar Paul is an inborn poet. He was born at Sagra village in Diamond Harbour Sub-division of South 24 Parganas, West Bengal. He is the eldest son of Late shri Nitiai Chand Paul and Smt. Mangala Paul. Although, he did not have any family members or relative in this field, he started writing poems when he was in third grade. Of course, his parents and sisters helped him to bloom in this field with their valuable critiques and encouragement. He has written more than fifty poems, over hundred songs and few stories with different subjects. From his childhood he used to put his poems in various ‘poems and drawing show’ by local clubs. He studied at Sarisha High School and Narasinha Dutt College, Howrah where he used to recite his own poems in annual cultural festivals.Rajkumar works as a doctoral research scholar. Therefore, it becomes very hard to manage time for writing now-a-days. But, his passion for writing is still in his heart and attempts to write new one whenever he has suitable time. He, sometimes, engage himself in other fields like acting, painting and social works.