
The editorial team of Bengali web-zine Papyrus have announced the publication of Pohela Baishakh 2012 Issue. The following is a note from the editors Indira Mukherjee and Prithwish Mukherjee of Papyrus in unicode-Bangla about the Bangla e-zine.
সোনারতরী আমার স্বপ্নের নৌকাখানি । সেই ২০০৮ এর ফাল্গুনে প্রেমে পড়ে গেছিলাম সোনারতরীর ।
তারপর থেকে কখনো সে বুঝে নিয়েছে আমার মুড সুইং, মেপেছে আমার মনের হাংরি টাইড; হ্যালুসিনেটেড হাইওয়ের ধারে দাঁড়িয়ে সঁপে দিয়েছি নিজেকে তার কাছে । সেই থেকে তার হাতদুটো ধরে এগিয়ে চলেছি ছেঁড়া ছেঁড়া কবিতায়, অলস ভাবনার গদ্যে ।
সময়ের হাত ধরে চার বছর চলার পর অনেকে সোনারতরীর ডিঙি নৌকাখানিতে তুলে দিয়েছে তাদের কলম, খুলে দিয়েছে ভাবনার খোলাখাতা ।
বিগত কয়েকবছর ধরে সোশ্যালনেটওয়ার্কিং মারফত অনেক বন্ধু জুটেছে । সেই বন্ধুদের নিয়ে সোনারতরী ভেসে চলেছে আপনমনে ।
প্রথমে হৈ হৈ করে শুধু অর্কুটের স্টেটাস আপডেট দিয়ে আমরা লিখেছিলাম একরাশ কবিতা যার নাম ছিল “অর্কুট-আগমনী-পাঁচালি” ।
তারপর এল ফেসবুক । অর্কুট এবং ফেসবুকের বেশকিছু বন্ধুদের বসন্তের কবিতা নিয়ে “দোলছুট” ।
ঠিক সেবছরেই পয়লাবৈশাখে জায়গা পেয়েছিল “পয়লা-সাহিত্য-পার্বণ” ।
গতবছর পুজোয় “প্যাপিরাস” (পুজোসাংখ্যা ) নামকরণ করলাম এই ডিজিটাল আন্তর্জালিক পত্রিকার ।
আবার দেখতে দেখতে আমরা নতুন বছরের দোরগোড়ায় । সারাবছরের পুরোণো খাতাপত্তর ঝেড়েঝুড়ে তাকে গুছিয়ে, সকলের বাড়িতেই এখন বসন্ত বিদায়ের তোড়জোড় । তার সাথে চৈত্রসেলের চীত্কার! চৈত্রমাস পড়তে না পড়তেই পুরোণো বছরটার পাততাড়ি গোটানোর ধান্ধা ।সেইসাথে বাঙালির ঝালিয়ে নেবার পালা সেই বং-কানেকশান । কি করে ভুলি আমরা ? যতই ইংরেজী ছবি দেখি, ইংরেজী শব্দ ব্যবহার করে অনর্গল কথা বলি আর গোগ্রাসে কন্টিনেন্টাল খাবারদাবার গিলি না কেন আদতে আমরা ঝোল-ঝাল-অম্বলের ভক্ত ।
আমরা সকলেরটা সাদরে বরণ করি ; তা ফ্যাশান-ভূষণই হোক আর মিউজিক-মুভিই হোক । আমাদের যেমন বড়দিনে কেক না খেলে শীতযাপন হয়না ঠিক তেমনি জন্মদিনে পায়েস না খেলে মায়ের আদরটুকুও কম পাওয়া হয় । ইংরেজী নিউইয়ার সেলিব্রেশনের পাশেপাশে নতুন বাংলা বর্ষবরণ ..এ বোধহয় আমাদের মত হুজুগে বাঙালির পক্ষেই সম্ভব । আর স্মৃতিচারণ করতে কার না ভালো লাগে । সে বেড়ানোর স্মৃতি হোক কিম্বা কোনো বিশেষ মানুষের কথা ;তাই এবারের প্যাপিরাসের এই নিয়ে থাকছে কেবল মুক্তগদ্য সংকলন।
এবছর তাই পয়লা বৈশাখের প্রাক্কালে প্যাপিরাসের পয়লাবৈশাখ সংখ্যা তুলে দিলাম বাঙালী পাঠকের হাতে ।
এইখানে গিয়ে পড়ুন : http://papyrus.sonartoree.com
আর পুরোণো সংখ্যাগুলি রাখা রইল প্যাপিরাসের আর্কাইভে ।

