Bengali Poem by Arijit Sanyal

Arijit Sanyal.jpg   
Arijit Sanyal was born in the year 1965 on 22nd January. The little boy grew up hearing fascinating stories of travels and fiction being the favorite grand nephew of the eminent Bengali literary genius Prabodh Sanyal. But as the child in him gave way to boyhood , his fascination for the imaginary world of fiction gave way to that of flying planes and becoming a fighter pilot! This resulted in being awarded with best cadet award for NCC Indian Air Force wing while in senior school. However destiny willed otherwise and instead of being at the control panel of fighter jets he took charge of varied sectors of the consumer industry in India surging forward in a jet setting corporate life. But somewhere the boy with the riotous imagination was embedded deep inside this persona of a marketing head honcho! The sad demise of his mother, while creating a sense of irreparable loss also suddenly gave way to a restlessness within to express the angst and the pain through verse! Thus began a journey through the realms of poetry and the sights and sounds of nature, the traverses of human lives, the evolution of relationships, the myriad hues of life itself-all of it acted as muse and inspiration for the brilliant verse. And Arijit Sanyal metamorphosed into Kobitar Arijit!

Read two of many poems of Mr. Sanyal

                     
আমি সূর্য্যের খুব কাছাকাছি
 

আমি সূর্য্যের খুব কাছাকাছি
আমি পরজন্মের মৃত্যু দেখেছি।

আমি হতবাক,
সাগর মিশেছে মেঘের কোলে
ভিক্ষা নিয়েছে অপরিসীম জল
ছিটিয়ে দিয়েছে তীরের বালুকণায়
আবার ফিরিয়ে দিয়েছে মেঘের ডাকে।

আমি সূর্য্যের খুব কাছাকাছি।

আমি স্তম্ভিত,
কাছে ডেকেছিলে বারবার ;
মেঘের কোল থেকে
সাগরের বুক চিরে
এসেছিলে তীরের বালুচরে ;
যেতে পারিনি,
শত চেষ্টায়ও যেতে পারিনি,
দেখতে পাইনি তোমার অবয়ব,
এ কোনো মিথ্যে নয়
নয় কোনো অজুহাত
শত চেষ্টায়ও
দেখতে পাইনি তোমায় সেদিন।

আমি সূর্য্যের খুব কাছাকাছি।

আমি বিস্মিত,আমি লজ্জিত,
তোমার অবস্থানে,
আজ সেই ভালোবাসা
জলপ্রপাতের মতো চূর্ণ,
মিশে গেছে হিমশীতল কঠিন বরফে ;
এসেছিলে নৌকো করে সেই বরফের খোঁজে
ফেরেনি আজও তোমার মৃত্যুহীন প্রাণ।

আমি সূর্য্যের খুব কাছাকাছি।

প্রয়োজনে আমি ধ্বংসাত্মক,
আমি বিদ্রোহী,
আমি মানিনা কোন অজুহাত,
সূর্য্যের বলে বলীয়ান আমি
ভালোবাসাকে করেছি তুচ্ছ;
ডেকোনা আমায় বারংবার
হবোনা আমি সম্মোহিত;
আমি ঋজু,
আমি অবাধ্য,
আমি শুনতে পাইনা কোন পিছুটান।

আমি সূর্য্যের খুব কাছাকাছি।

আমি জাতিস্মরবাদে করিনা বিশ্বাস,
আমি নিয়েও যাবোনা কোনো পার্থিব সত্য,
আমি প্রজন্মের অহংকার।

আমি সূর্যের খুব কাছাকাছি
আমি দেখেছি পর-প্রজন্মের রক্ত
ভাসিয়ে দিয়ে চলে গেছে।

আমি সূর্য্যের খুব কাছাকাছি
আজ শুনেছি জর্জদার গান
'কেন তোমরা আমায় ডাকো'।

আর আমি সূর্য্যের এতই কাছাকাছি
পরজন্মের মৃত্যুও এই জন্মেই দেখেছি।
                                                                 

Alzheimer

সে একটুও কাঁদেনি
শেষ দেখাতেও ভাঙেনি।

বেশ কয়েকদিনের কথা
বেশ স্তিমিত হচ্ছে ঘটনাবহুল;
মনে যে পড়েনা তা নয়,
মনে পড়ে
আবার মন ও পোড়ে;
মনে পড়ে মন পোড়ে
মন পোড়ে মনে পড়ে
অদ্ভুত বৈপরীত্য
মানসিক অস্থিতাবস্থা
কিংবা ভূলো-মনরোগ;
ঈশ্বর পরম দয়ালু
মন পোড়ে কিন্তু সম্পূর্ণ মনে পড়েনা।

এসেছিল বলতে সে যেতে চায়।

সেই যৌবনের দৃষ্টিভেদী চাওনি
চুলের মর্মস্পর্শী ঘ্রাণ
পাতলা ঠোটের আবেদন
টোল পড়া গাল রক্তবর্ণ
বিভ্রান্ত বেপরোয়া অর্ধ-উন্মূক্ত বক্ষঃযূগল
এ পোষ না মানা যেন এক মানবী;

আজকের সুরূচিকর বিত্তশালী পান্ডিত্য বলে 'ঈশ্বর মহিমাময়, বর্ণিতা এসেছেন ঘরে'!

মেনে নিতে পারিনি
মন মানেনি আজও শত- স্মৃতিবিভ্রমেও,
মানা মানায় না
মানা শিখতে হয়
শিখে উঠতে পারিনি আজও,
মানা জানতে হয়
জানিনি আজও,
কেউই আসেনি জানাতে আজও।

চেষ্টা করিনি তা নয়;
কোথায় গেলো আমার না-জানা মানবী
কোথায় গেলো আমার হারিয়ে যাওয়া খুনসুটি
কোথায় গেলো সেই অপরিসীম অন্ধ নির্ভরতা
আবার কোথায় গেলো সেই বর্বরতা অথচ পরিশীলিত ভালোবাসা;
জানিনা
ভূলো মন জানেনা।

আজও মাঝিরা সুর তোলে
মসজিদেও আজান দেয়
একটু পরেই গির্জেয়ও ঘন্টা বাজবে
যীশু আসবেন মর্তলোকে
সবই মনে পড়ে।

কিন্তু কে সেই মানবী ?

ঐন্দ্রিতাও আজ নির্বাক।