The following article is in Unicode Bengali font. Tarak Ghosh is a writer and a journalist, managing editor of NEWS3,
and former journalist for the Bartaman, the Telegraph and other dailies
and journals.
You can send your creative writing to submissions@washingtonbanglaradio.com for consideration towards publication.

বেলুড় মঠে কুমারী পূজা
বেলুড় মঠ থেকে তারক ঘোষ ও জয়া বন্দোপাধ্যায়
বেলুড় মঠে প্রথম দুর্গোৎসব শুরু হয় ১৯০১ সালে, আর তারপর থেকে নিয়মিত ভাবে চলে আসছে মহামায়ার আরাধনা।

প্রথম প্রথম এই মঠে কোন প্রতিমার পূজা হত না।স্বামী বিবেকানন্দই প্রথম প্রতিমা পূজার প্রচলন করেন।কথিত আছে, ১৯০১ সালে দুর্গাপূজার কিছুদিন আগে স্বামীজি স্বপ্ন দেখেন বেলুড় মঠে পূজা হচ্ছে। স্বামী ব্রহ্মানন্দজিও স্বপ্নে দেখেন, মা দুর্গা গঙ্গা পার হয়ে দক্ষিণেশ্বর থেকে বেলুড়ে আসছেন।
এরপরই স্বামীজি মঠে পূজার আয়োজন করতে বলেন।এই মঠে প্রথম ষষ্ঠী পালিত হয় ১৮ অক্টোবর ১৯০১ সালে।
মা সারদাদেবীকেও ষষ্ঠীতে এখানে নিয়ে আসেন স্বামীজি। সারদাদেবী ওঠেন কাছেই নীলাম্বর বাবুর বাড়িতে। পূজার ক’টা তিনি বেলুড়েই কাটিয়েছিলেন।
১৮৯৪ সালে স্বামীজি আমেরিকা থেকে স্বামী শিবানন্দকে লেখেন, আমি দেখিয়ে দেব কিভাবে জীবন্ত প্রতিমার পূজা করতে হয়।জীবন্ত প্রতিমা বলতে তিনি সারদাদেবীকেই বুঝিয়েছিলেন।
শুভ অষ্টমী। বেলুড়মঠ আজ যেন ভক্তসাগরে নিমজ্জমান।আজ এখানে জীবন্ত প্রতিমার পূজা—কুমারী পূজা।হাজির ছিলেন রাজ্যের রাজ্যপাল এম কে নারায়নণ।

কূমারী কন্যাকে দেবীরূপে পূজাই হল কুমারী পূজা।অষ্টমী পূজার একটা অঙ্গ।শ্রীরামকৃষ্ণ নারীর মধ্যে দেখেছিলেন এক মাতৃরূপ। তাই নারীকেও দেবীজ্ঞানে পূজা করেছিলেন।স্বামীজি যখন প্রথম বেলুড় মঠে কুমারী পূজার আয়োজন করেন, তখন একাধিক কন্যার পূজা করা হত। পরে একজন কুমারীর পূজা করা শুরু হয়।
দেবী রূপে কুমারীর পূজার পর আরতি আর সবশেষে সন্ন্যাসীরা তাকে প্রণাম করেন।

